Saturday, 21 Apr 2018

ম্যানিয়াক্সের মুখোমুখি বিষ্ময় বালিকাদের কোচঃ গোলাম রাব্বানী ছোটন

বাংলাদেশ বয়সভিত্তিক মহিলা দলের সময়টা যাচ্ছে বেশ। নেপাল থেকে ফিরেছিল ‘এফসি অনুর্ধ-১৪ বালিকা চ্যাম্পিয়নশিপ’-এর শিরোপা জিতে এবং তাজিকিস্তান থেকে কয়দিন একই আসরের শিরোপা জিতে ফিরে। সাম্প্রতিক এই সাফল্য আমাদের পিপাসা আরো বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে। দুয়ারে কড়া নাড়ছে মহিলা দলের বয়সভিত্তিক আরেকটি চ্যাম্পিয়নশিপের কোয়ালিফায়ার্স রাউন্ড। এএফসি অনুর্ধ-১৬ ওমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপ কোয়ালিফায়ার্স রাউন্ডে বাংলাদেশ সি গ্রুপে পড়েছে। বাংলাদেশের সাথে আরো রয়েছে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, চাইনিজ তাইপে, ইরান ও কিরগিজস্তান অনুর্ধ-১৬ জাতীয় মহিলা ফুটবল দল। ২৫ আগস্ট থেকে ৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ঢাকার বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামে ‘সি’ গ্রুপের খেলাগুলো অনুষ্ঠিত হবে। কোয়ালিফায়ার্স সামনে নিয়ে আমরা দেখা করেছিলাম অনূর্ধ্ব-১৬ মহিলা দলের কোচ আমাদের প্রিয় গোলাম রাব্বানী ছোটন ভাই’র সাথে। প্র্যাকটিসের ব্যস্ত সূচীর ফাকে আমাদের সাথে কিছুক্ষন একান্তে আলাপ করেছেন। সদা হাসোজ্জ্বল ছোটন ভাইয়ের হাতে জাদু আছে বলতে দ্বিধা নেয়। তার হাত ধরে অনূর্ধ্ব-১৪ মহিলা পাঁচমাসের ব্যাবধানে দুটি চ্যাম্পিয়নশিপ জিতে। কিন্তু বিনয়ী এই মানুষটি সবকিছু ভাগ করে দিলেন সকলের মাঝে।

ম্যানিয়াক্সঃ ছোটন ভাই কেমন আছেন।

ছোটন ভাইঃ (স্ফীত হাসিমাখা মুখ নিয়ে) আল্লাহর রহমতে আপনাদের সকলের দোয়ায় ভালোই আছি।

ম্যানিয়াক্সঃ বাংলাদেশ মহিলা ফুটবল দলের সাফল্যের শুরু থেকেই আপনি আছেন। অন্যভাবে বললে মহিলা ফুটবল দলের সাফল্যের কথা বলতে শুরু করলে আপনার নাম অবধারিত ভাবেই চলে আসবে। বিশেষ করে পাঁচমাসের ব্যবধানে আপনি অনূর্ধ্ব-১৪ টিম পরপর দুটি চ্যাম্পিয়নশিপ জিতিয়েছেন। আসন্ন এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ কোয়ালিফায়ার্সের স্বাগতিক বাংলাদেশ মহিলা অনূর্ধ্ব-১৬ দলের দায়িত্বে আছেন এবং স্বভাবতই আমরা সবাই আপনার টিমের সাফল্য নিয়ে অনেক আশাবাদী। এটাকি আপনার টিম অথবা আপনার জন্য কোন প্রত্যাশার চাপ হিসেবে কাজ করে?

ছোটন ভাইঃ  না ঐরকম কিছুই না। আমি ২০০৯ সাল থেকে মহিলা ফুটবল দলের সাথে আছি। ২০০৬ সালে ফুটবল ফেডারেশনে জয়েন করার পর ২০০৭ এ আমি সারাদেশের গ্রাসরুট লেভেল কাজ করি এরপর ২০০৮ সালে সিনিয়র ন্যাশানাল টিমের সাথে মানিক ভাই এবং ইউসুফ ভাইয়ের সহকারী হিসেবে কাজ করি। এরপর ২০০৯ এর জুন থেকে ফেডারেশন আমাকে মহিলা দলের দায়িত্ব দেয়। আমার ধারনা ছিলোনা আমি কখনো মহিলা দলের সাথে কাজ করবো। কিন্তু যখনই আমি কাজ শুরু করি তখন থেকে আমার মধ্যে একধরনের জেদ চেপে বশে মহিলা টিমের উন্নতিকরন নিয়ে এটা অবশ্য আমার খেলোয়াড়ি জীবন থেকেই আমি যেখানে গিয়েছি ভালো করতে চেয়েছি এবং কোচ হিসেবেও ভালোটা বের করে আনতে চেয়েছি।

ম্যানিয়াক্সঃ সেক্ষেত্রে আপনি পূর্বের সাথে বর্তমানের কি তফাৎ দেখেন?

ছোটন ভাইঃ আগে আমরা ভিআইপি বক্সে বসে যখন মহিলাদের খেলা দেখতাম তখন সবাই হাসাহাসি করত ওদের খেলা দেখে। দায়িত্ব নেয়ার পর আমার প্রথম কথা ছিল মেয়েদের দৌড়ায় খেলতে হবে কারণ আগে তারা শুধু খেলত আর এখন দৌড়ে খেলে প্লাস ফুটবল খেলে। তাই আমার কাছে সাফল্যের ব্যপারটা গৌন বড় ঘটনা হচ্ছে সবাই এখন বলে হ্যাঁ মেয়েরা এখন ফুটবল খেলে যেখানে আগে তারা দাঁড়ায় থাকত আর বল একটা আসলে মেরে দিত কিন্তু এখন তারা মাঠ দাপিয়ে খেলে। আর চাপ-তাপ কোন কিছু আমি মনে করিনা আছে কারণ মেয়েরা এখন যথেষ্ট পরিণত এবং খেলাটা তারা আয়ত্তে এনেছে তাছাড়া উপরের দিকে উঠতে গেলে আপনাকে শিরোপা জিতেই হবে তাই এটাতে প্রেশার তৈরি করা চলবে না। তাছাড়া গত দুই বছরে আমাদের মেয়েরা অনেক আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলে আরও পরিপক্কতা অর্জন করেছে। অভিজ্ঞতাও বেড়েছে। তাই এখানে চাপ নয় দায়িত্ব অনুভব হওয়া উচিত।

ম্যানিয়াক্সঃ কিন্তু আরেকটা উল্লেখযোগ্য দিক যা এড়ানোর নয়, ফুটবল মাঠে মেয়েদের নানাধরনের সামাজিক প্রতিবন্ধকতা, অনুশাসন, কটুকথা ইত্যাদি অনেক নেতিবাচকদিক উপেক্ষা করে আসতে হয়। কিন্তু এরপরও এখন দেখা যাচ্ছে আমাদের পাইপলাইনে যথেষ্ট উদীয়মান মহিলা ফুটবলার আছে যা বিগত অন্যান্য সময়ের তুলনায় অনেক। এখন কোন টুর্নামেন্টের জন্য দল ঘটন করতে নির্দিষ্ট কিছু সংখ্যক প্লেয়ারের উপর নির্ভর করতে হয়না।

ছোটন ভাইঃ আজ থেকে চার বছর আগে আমাদের যদি ন্যাশ্যানাল টিমের জন্য দল গঠন করতে বলা হত তাহলে যশোর, রাঙ্গামাটি, সাতক্ষীরা এবং নারায়ণগঞ্জ থেকে ৩৬ জন প্লেয়ার নিয়ে ন্যাশানাল টিম করা হত। ঘুরেফিরে এরাই থাকত। তবে হ্যাঁ আশার বিষয় আমাদের এখন অনেক ট্যালেন্টেড প্লেয়ার বেরিয়ে আসছে। এখন নির্দিষ্ট কয়েকজনে আমরা সীমাবদ্ধ নয়। তাই আমাদের দলগুলোতে এখন অনেক বৈচিত্র্য থাকে।

ম্যানিয়াক্সঃ আমরা জানি এবারের এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ কোয়ালিফায়ার্সের জন্য দল গঠনের সাথে তৃণমূলের অনেক খেলোয়াড়কে সম্পৃক্ত করা হয়েছে। স্ক্রিনিংটাকে যথেষ্ট সময়োপযোগী বলব আমি। তবু আপনি যদি আমাদের আরো কিছু তথ্য দিতেন।

ছোটন ভাইঃ এএফসি অনূর্ধ্ব-১৬ মহিলা চ্যাম্পিয়নশিপের গ্রুপ কোয়ালিফায়ার্সের জন্য দল গঠনের প্রক্রিয়াটা শুরু করি আমরা অনূর্ধ্ব-১৪ জেফ কাপ এবং ন্যাশানাল চ্যাম্পিয়নশিপ থেকে এটি সারাদেশ ব্যাপী হয়েছিলো। সেখান থেকে ১০০’র উপরে ভালো প্লেয়ার বাছাই করা হয়। এদের ভেতর থেকে আমরা ৪৩ জন আরো ভালো প্লেয়ারদের বাছাই করে নিই। এরা শুধু ভালো নয় ওরা ছিল বেস্ট প্লেয়ার। পরে এই ৪৩ জন থেকে চূড়ান্ত পর্যায়ের জন্য ৩২ জনকে বাছাই করি। এর বাইরেও আরো অনেক ভালো প্লেয়ার আছে। তবে আমাদের এবারের ট্রায়ালটা ছিল কিছুটা ভিন্ন মাত্রার। আগে আমরা ট্রায়াল নিতাম, সময়ের অভাব থাকার অভাব ইত্যাদি মিলে ভালোভাবে কিছু করা হতোনা। কিন্তু এবার আমরা ঐ ৪৩ জন কে বাফুফে ভবনে তিনদিন রেখে তাদের টেকনিক, ট্যাক্টিস, স্কিল, স্ট্যামিনা দেখে ৩২ জন বাছাই করি। আশা করি ভবিষ্যতে আরো ভালোভাবে করা সম্ভব হবে।

ম্যানিয়াক্সঃ বয়সভিত্তিক এই দল গুলোতে ফরমেটিভ ফুটবল কতটুকু কার্যকর। আসলে বলতে চাচ্ছিলাম ট্যাকনিক্যালি সাউন্ড প্লেয়ার না থাকলে একজন কোচের পক্ষে ব্যাপারটা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়।

ছোটন ভাইঃ হ্যাঁ। তা ঠিকই আছে বটে। কিন্তু আমাদের জে টিম নেপালে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সেখান থেকেই আমাদের মেয়েরা ফরমেশনের সাথে পরিচিত। আমরা ঐখানে ৪-৩-৩ এ খেলে সফল হই। এবং তাজিকিস্তানেও আমরা সেইম ফর্মুলায় সাফল্য পাই। আমাদের জেলাভিত্তিক এবং চ্যাম্পিয়নশিপের দল গুলায় আমাদের মেয়েরা ৪-৪-২ বিন্যাসে অভ্যস্ত। তারা সেভাবেই খেলে। কিন্তু আমি ৪-৩-৩ এপ্লাই করে দেখেছি ওদের কোন সমস্যা হয় না।

ম্যানিয়াক্সঃ এএফসি অনুর্ধ-১৬ ওমেন্স চ্যাম্পিয়নশিপ কোয়ালিফায়ার্স’-এ ‘সি’ গ্রুপে পড়েছে। এখানে আমাদের প্রতিপক্ষ সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, চাইনিজ তাইপে, ইরান ও কিরগিজস্তান অনুর্ধ-১৬ জাতীয় মহিলা ফুটবল দল। সবাই মোটামুটি শক্তিশালী। নিশ্চয় শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বিতা আশা করছেন।

ছোটন ভাইঃ  আমাদের গ্রুপের অবশ্য সবাই শক্তিশালী তবে আমরাও যথেষ্ট প্রতিদ্বন্দ্বিতা গড়ে তুলতে পারবো বলে আমি আশাবাদী। আপনি যদি আমাদের গত দুই বছরের সার্বিক যে পারফর্মেন্স তা বিবেচনায় আনেন তবে দেখবেন আমরাও যথেষ্ট সমীহের দাবীদার সকলের কাছে। আলাদা করে বললে চায়নিজ তাইপে এবং ইরান তুলনামূলক বেশী শক্ত প্রতিপক্ষ তাইপে ২০১৩ এবং ২০১৫ এর চায়না ফাইনালিস্ট। আর আপনিতো জানেন ইরান গতবার আমাদের এখান থেকে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে চ্যাম্পিয়নশিপে অংশ নিয়েছে।

ম্যানিয়াক্সঃ প্রস্তুতির দিকটায় যদি একটু আলোকপাত করতেন।

ছোটন ভাইঃ গত আড়াই মাস ধরে আমরা কঠোর অনুশীলন করে যাচ্ছি। জুনের ১৩ তারিখ থেকে আমরা ক্যাম্পের ডাক দিয়। আমরা দুইবেলা ধরে অনুশীলন করেছি। মেয়েরাও যথেষ্ট মনযোগী ছিল। অফ ডে গুলোতে আমরা ভিডিও ট্রেনিং সেশন এবং টেকনিক্যাল দিক গুলো নিয়ে আলোচনা করেছি। তাদের পূর্বের ভুল ত্রুটি গুলা ধরিয়ে তা শুধরে দিয়েছি। বলা যায় আমরা টুর্নামেন্টের জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত। আমরা দেশবাসীর কাছে দোয়া চাই যেন আমরা পূর্বের ধারাবাহিকতা এখানেও রক্ষা করতে পারি।

ম্যানিয়াক্সঃ সকলেরই প্রত্যাশা আপনারা গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে চ্যাম্পিয়নশিপে যাবেন এবং দেশের জন্য ভালো কিছু নিয়ে আসবেন।

ছোটন ভাইঃ না আমি ঐভাবে দেখবো না। আমি স্টেপ বাই স্টেপ আগাবো। আমার প্লেয়ারের কোয়ালিটি ভালো খেলবো দেশের মাটিতে সেক্ষেত্রে হয়তো কিছু সুবিধা আমরা পাবোই। তবু আমরা ম্যাচ বাই ম্যাচ আগাতে চাই। আমি যখন দল নিয়ে নেপাল যায় তখন কেউই আমাদের নিয়ে আশাবাদী ছিলোনা। কিন্তু ব্যাক্তিগতভাবে আমি বলেছিলাম আমরা ভালো খেলবো। কারণ আমাদের ভালো কিছু প্লেয়ার আছে। এরপর তাজিকিস্তানে যাওয়ার সময় আমাদের দলের নেপাল চ্যাম্পিয়ন দলের নয়জন প্লেয়ার ছিলোনা। সবাই বলেছিল আপনি পূর্বের নয়জন কে রেখে যাচ্ছেন কিছু করতে পারবেনতো? তার সেন্ট্রাল এশিয়া ছিল আমাদের জন্য প্রতিকূল পরিবেশ। তবু আমি আমার খেলোয়াড়দের উপর থেকে ভরসা হারায়নি। ফাইনালে স্বাগতিক তাজিকদের ৯-১ গোলে হারিয়ে আমরা চ্যাম্পিয়ন হই। এবারও আমি আমার টিম নিয়ে যথেষ্ট আশাবাদী। এবার আরো অনেকগুলো ট্যালেন্টেড প্লেয়ার দলে এসেছে। আমি মনে করি আমাদের দল এবার আরো শক্তিশালী হয়েছে।

ম্যানিয়াক্সঃ তাহলে আমি বলব আমাদের সিনিয়র মহিলা ফুটবল টিমের ভবিষ্যৎ উজ্জ্বল যদি আমরা এদের ধরে রাখতে পারি।

ছোটন ভাইঃ  হ্যাঁ এখানে ধারাবাহিকতা অনেক বড় ব্যাপার বিশেষ করে খেলার মধ্যে থাকা। বেশীরভাগ সময় দেখা যায় মেয়েরা একটা টুর্নামেন্ট খেলে আর বাড়ি চলে যায়। সেখানে গিয়ে সবকিছুতেই ব্যঘাত ঘটে না ফিটনেস না নিউট্রিশন। কোনদিকেই নজর রাখে না। যেমন ধরা যাক তাজিকিস্তানে আমাদের টপ স্কোরার তহুরা’র কথা সে তাজিকিস্তানে দশ গোল করেছিলো। তখন তহুরা’র থেকে ইরান এবং ইন্ডিয়ান’রা অনেক লম্বা লম্বা ছিল। কিন্তু আমরা যখন ক্যাম্পের ডাক দিয় তখন তার ওজন ছিলো ৩৬ কি ৩৭ কেজি বডি শেইপটা অনেক বাঁকানো ছিল আমরা অনেকেই ভেবেছিলাম তহুরা হয়তো চান্স পাবে না। কিন্তু পরিপূর্ণ পরিচর্যায় আমার মতে তহুরা এখন আমাদের দলের সবচেয়ে ফিট খেলোয়ার। তাই আমি নিউট্রিশান এবং ফিটনেসের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দিই।

কথা বলতে বলতে কোন ফাঁকে ঘড়ির কাঁটায় সন্ধ্যা সাতটা বেজে গেলো আমরা টের পাইনি, অনূর্ধ্ব-১৬ দলের সকলে ইতোমধ্যে উপস্থিত সান্ধকালীন প্র্যাকটিসের সময় হয়ে এসেছে। ব্যস্ত ছোটন ভাই উঠবেন। কিন্তু তখনো অনেক কিছু জানার বাকি। তবু দলের স্বার্থ সবার আগে। কিন্তু যাওয়ার আগে কথা দিলেন ভালো ফলের আর হাসিমাখা মুখ নিয়ে বলে গেলেন খেলা শেষে আবার কথা হবে। আরো বেশী সময় নিয়ে। আমারও আশা করি পরবর্তীতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ছোটন ভাইয়ের সাথে কথা বলব।

ম্যানিয়াক্সের পক্ষ থেকে ততদিনের জন্য শুভকামনা রইলো ছোটন ভাই এবং শুভকামনা রইলো অনূর্ধ্ব-১৬ মহিলা দলের প্রতি। এই বলে ধন্যবাদ দিয়ে আমারও উঠে পড়ি।

সাক্ষাৎকার গ্রহনেঃ  ফজলে আজিজ রিয়াদ

আরো পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *